× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস নারায়নগঞ্জ সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

পূর্বাচলে উদ্ধার সাত টুকরার মরদেহটি এক ব্যবসায়ীর

স্টাফ রিপোর্টার

১৪ নভেম্বর ২০২৪, ১৫:২৩ পিএম । আপডেটঃ ১৪ নভেম্বর ২০২৪, ১৫:২৫ পিএম

নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচল এলাকার লেকে পাওয়া সাত টুকরার মরদেহটি জসিম উদ্দিন মাসুম নামের এক ব্যবসায়ীরছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বাচল এলাকার লেকে পাওয়া সাত টুকরার মরদেহটি জসিম উদ্দিন মাসুম (৫৯) নামের এক ব্যবসায়ীর বলে জানিয়েছে পুলিশ। তিনি রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার চাঁদ ডায়িং ফ্যাক্টরিসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক তিনি। ১০ নভেম্বর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন তিনি।

নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (-সার্কেল) মো. মেহেদী ইসলাম প্রথম আলোকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ওই ব্যবসায়ীর পরিবার লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক নারীকে আটক করা হয়েছে।

নিহত ব্যবসায়ীর ছেলে সাইফুল ইসলাম বলেন, গত রোববার বিকেলে প্রাইভেট কার  নিয়ে বের হন জসিম উদ্দিন। গুলশানে নিজের গাড়িটি ছেড়ে দেন। অন্য আরেকটি গাড়িতে নারায়ণগঞ্জ যাবেন বলে চালককে জানান। সে দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি স্ত্রীর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন। তবে রাতে তিনি বাসায় ফেরেননি। পরের দিন সকালে তাঁর দুটি মুঠোফোন নম্বরে কল দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। কোথাও খোঁজ না পেয়ে রাতে গুলশান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁরা। গতকাল বুধবার পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে এসে তাঁরা জসিমের মরদেহ শনাক্ত করেন। কারও সঙ্গে বাবার ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক শত্রুতা ছিল কি না, তা জানেন না ছেলে।

গতকাল সকালে পূর্বাচল নম্বর সেক্টরের একটি লেকে হাতমুখ ধোয়ার সময় দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে পলিথিন মোড়ানো লাশ দেখতে পান স্থানীয় এক রিকশাচালক। পরে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে জানালে পুলিশ তিনটি কালো পলিথিনে মোড়ানো সাত টুকরা মরদেহ উদ্ধার করে। পরে লাশের খণ্ডাংশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ-১০০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

Janatar Kontho

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মোহাম্মদ রাজু

যোগাযোগ: ০১৯১১-২৯০৮০৪

ই-মেইল: info@janatarkontho.com

ঠিকানা: কাজীপাড়া , রূপসী , রূপগঞ্জ , নারায়ণগঞ্জ।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Janatarkontho All Rights Reserved.