× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস নারায়নগঞ্জ সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ডি’র ঘাটতি পূরণে যা করবেন

স্টাফ রিপোর্টার

১৪ নভেম্বর ২০২৪, ১১:৪০ এএম । আপডেটঃ ১৪ নভেম্বর ২০২৪, ১৫:২৭ পিএম

শরীরের নানা জয়েন্ট বা অস্থিসন্ধিতে ব্যথা, লাল হয়ে ফুলে যাওয়া, সহজেই হাঁপিয়ে ওঠা ইত্যাদি আজকাল খুব সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। বিশেষত যারা দীর্ঘসময় ধরে ডেস্কে বা কম্পিউটারে কাজ করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা প্রকট। শরীরে ভিটামিন ডি’র অভাব এর অন্যতম কারণ।

চর্বিতে দ্রবণীয় এই  ভিটামিনের অভাবে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে। একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে নারীদের হাড় দ্রুত ক্ষয় পেতে থাকে। শরীরে ক্যালসিয়ামের শোষণ কমে যাওয়া, চুল ঝরে যাওয়া, ঘা শুকোতে দেরি হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। 

এমনকি গবেষণায় পাওয়া গেছে, ভিটামিন ডির ঘাটতি বিষণ্নতার জন্যও দায়ী। সময় থাকতে সঠিক মাত্রায় ভিটামিন ডি গ্রহণ করা তাই অত্যন্ত জরুরি। 

আমাদের দেশে ভিটামিন ডির ঘাটতিতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ ঝুঁকিপূর্ণ। এর চেয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে ভিটামিনের ঘাটতি পূরণে জোর দেওয়া উচিত। 

প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন-ডি এর মাত্রা বাড়ানোর উপায়গুলো নিয়ে আলোচনা থাকছে আজ-

সূর্যের আলো

সূর্যের আলো ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে সবচেয়ে সহজ উৎস। সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসার পর এই ভিটামিন ত্বকে সংশ্লেষিত হয়। ভোরে সূর্যোদয়ের পর এবং সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের ঠিক আগে চেষ্টা করুন গায়ে সূর্যের লালচে নরম আলো গায়ে মাখতে। প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে কিছুটা সময় সূর্যের আলোয় থাকুন। 

ডিমের কুসুম

ফ্যাটের ভয়ে অনেকেই কুসুম ছাড়া ডিম খান। ওজন না ঝরলেও এতে যে বিপুল পুষ্টি হাতছাড়া হয়, তা নিশ্চিত। ডিমের কুসুমে যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকে। ফলে সবসময় ডিমের কুসুম বাদ দেওয়া ভাল নাও হতে পারে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অন্তত একটি কুসুমসহ ডিম রাখুন।

শুকনো ফল

দৈনিক চার থেকে পাঁচ ধরনের শুকনো ফল খাওয়া দেহে ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণ করতে সহায়তা করে। আনজির বা শুকনো ডুমুর, কাঠবাদাম, কিশমিশ, আলুবোখারা, খেজুর ভিটামিনের খুব ভালো উৎস। প্রতি ১০০ গ্রাম ডুমুরে প্রায় তিন আইইউ (ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট) পরিমাণ ভিটামিন ডি থাকে।

সামুদ্রিক মাছ

ভিটামিন ডির অন্যতম সেরা খাদ্য উৎস হলো স্যামন, ম্যাকরেল এবং সার্ডিনসহ চর্বিযুক্ত বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ। এসব মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। ওমেগা-৩ মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট কিছু অংশের ক্ষমতা বাড়ায়, যেটি স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। ডিমনেশিয়া বা অ্যালজাইমার্সের মতো রোগ প্রতিরোধ করে। 


ইউভি ল্যাম্প

বাজারে এক ধরনের ইউভি (আল্ট্রা ভায়োলেট) বাতি পাওয়া যায়; এটি থেকে ইউভি-বি রশ্মি বিকিরিত হয়, যা ভিটামিন ডির মাত্রা বাড়িয়ে তোলে। অবশ্য এই বাতি কিছুটা ব্যয়বহুল। আমাদের ত্বক যখন সূর্যের ইউভি-বি বিকিরণের সংস্পর্শে আসে, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিটামিন ডি তৈরি হয়। ভৌগলিক কারণে বা ঘরে বেশি সময় কাটানোর জন্য যারা সূর্যরশ্মির সংস্পর্শে সময় কাটানোর সুযোগ পান না, তাদের জন্য ইউভি ল্যাম্প উপযোগী। 

Janatar Kontho

সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মোহাম্মদ রাজু

যোগাযোগ: ০১৯১১-২৯০৮০৪

ই-মেইল: info@janatarkontho.com

ঠিকানা: কাজীপাড়া , রূপসী , রূপগঞ্জ , নারায়ণগঞ্জ।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 Janatarkontho All Rights Reserved.