সমকালের প্রধান শিরোনাম, 'গর্ভনিরোধক ইনজেকশন নিয়ে ঝুঁকিতে নারীরা'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহী নারীদের সারাদেশে সরকারি খরচে যে ইনজেকশন (ভায়াল) দেওয়া হয় এর মধ্যে তিন মাস মেয়াদের ইনজেকশনে বেশ কয়েকটি জেলায় ওষুধের পরিমাণ কম পাওয়া গেছে।
শরীরে প্রয়োগ করার পর বিষয়টি মাঠকর্মীদের নজরে আসে। ফলে ইনজেকশন গ্রহণকারী অনেকের এখন অপ্রত্যাশিত গর্ভধারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের।
বাংলাদেশে সরকারিভাবে দম্পতিদের মধ্যে পাঁচ ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রী বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়। ইনজেকশন দেওয়া হয় তিন ও ছয় মাস মেয়াদে।
দরিদ্র শ্রেণির নারী এসব সামগ্রীর সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী।
যদিও দীর্ঘদিন মাঠ পর্যায়ে জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রীর চরম সংকট চলছে। ২৫ উপজেলায় জন্মনিয়ন্ত্রণের কোনো সামগ্রী নেই।
৩২৭ উপজেলায় ইনজেকশনের মজুতও শেষের পথে। এরই মধ্যে এমন ঘটনা সামনে এলো।
মানিকগঞ্জ, জামালপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, শেরপুর, নওগাঁসহ বেশ কয়েকটি জেলায় পরিমাণে কম ওষুধ থাকা ভায়াল প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে।
সারাদেশে এ ইনজেকশন সরবরাহ করে টেকনো ড্রাগস লিমিটেড। মাঠকর্মীদের লিখিত অভিযোগ পেয়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানটিকে শোকজ করে।
এর পর ইনজেকশন প্রয়োগ বন্ধের নির্দেশ ছাড়াও পরিমাণ কম থাকা ভায়ালের গুণগত মান পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে তারা।
প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাদের শরীরে প্রয়োগ হয়েছে, তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা উচিত। এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন তারা।