রাজনীতির ময়দানে কাজী মনিরের যাত্রা শুরু হয়েছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক, যেখান থেকে শুরু হয় তাঁর নিষ্ঠা, সততা ও নেতৃত্বের পথচলা।
বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে সবসময় একজন বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে দেখেছেন। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর, ২০০৩-২০০৪ মেয়াদে বিজিএমইএ -এর সভাপতি নির্বাচিত হন কাজী মনির। তাঁর নেতৃত্বে গার্মেন্টস খাতের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটে। তিনি শিল্পের সমস্যা দূর করতে সরকারের কাছে ২৪ ঘণ্টা বন্দর খোলা রাখার দাবি জানান, যাতে রপ্তানি-আমদানি কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চলতে পারে
২০০১ সালে মরহুম আব্দুল মতিন চৌধুরীর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন কাজী মনির। তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে ২০০৮ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রায় তিনি ছিলেন:
তিনি রূপগঞ্জে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন, যেখানে স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাঁর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণ করছে ।
২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে তিনি ছিলেন সংগঠনের অন্যতম মুখ। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে অসংখ্য মামলা তাঁর নামে হয়েছে, কিন্তু তিনি ঘণ্টার পর ঘণ্টা আদালতের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থেকেছেন, কখনো আসামির কাঠগড়ায়, কখনো বিচারকের সামনে।
রূপগঞ্জবাসীর কাছে তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, একজন পরিবারের সদস্য। কাজী মনির একজন অত্যন্ত মিষ্টভাষী ও মানবিক মানুষ, যিনি মানুষের কষ্ট নিজের কষ্ট মনে করেন। তাঁর স্ত্রী সেলিনা জামান রূপগঞ্জের প্রতিটি ঘর, ধর্ম, ও মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন, বসেছেন—সুখে-দুঃখেও পাশে যাচ্ছেন ।
“এই দুঃসময়ে, যখন রূপগঞ্জ পুনর্গঠনের স্বপ্ন দেখি, তখন কাজী মনিরুজ্জামান মনিরের মতো একজন সৎ, সাহসী ও মানবিক নেতার প্রয়োজন। রূপগঞ্জবাসী আজ তাকে আগামীর এমপি হিসেবে স্বপ্ন দেখছে।”
